ঢাকা, শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চামড়া নিয়ে অরাজকতা

প্রকাশিত : ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ, ১৫ আগস্ট ২০১৯ বৃহস্পতিবার ২৭ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক
alokitosakal

এবার ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে রীতিমতো অরাজকতা হয়েছে। চামড়ার দাম নিয়ে এতটা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি কখনোই হয়নি। ট্যানারি মালিক ও আড়তদারদের কারসাজির কারণে দামে এই ধস নামে। দেশের অনেক এলাকায় ক্রেতা খুঁজে না পাওয়ায় সরকার-নির্ধারিত দর তো দূরের কথা, চামড়া বিক্রিই করা যায়নি। দাম না পেয়ে প্রতিবাদস্বরূপ অনেকে চামড়া ফেলে দিয়েছেন, মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন। চামড়া নিয়ে সারাদেশে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা গেছে। আর বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে ট্যানারি মালিক ও আড়তদাররা একে অপরকে দুষছেন।

লোকসানে পড়া ক্ষুদ্র ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, ট্যানারি মালিক ও আড়তদাররা অতি মুনাফার লোভে চামড়ার দামে ধস নামানোর নেপথ্যে কাজ করেছেন। এমনকি এবার তাদের প্রতিনিধিরা মাঠে নামেননি। ঈদে দিনভর চামড়া নিয়ে অস্থিরতার মধ্যে লোকসান এড়াতে যে যেমন দাম পেয়েছেন, সে দামেই বিক্রি করেছেন।

কোরবানিদাতারা সাধারণত মসজিদ-মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এবং দরিদ্র আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের চামড়া বিক্রির অর্থ দান করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরাসরি চামড়া দান করেন। এবার নামমাত্র মূল্যে বিক্রি হওয়ায় সমাজের দরিদ্র শ্রেণিই বঞ্চিত হয়েছে। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অনেক ক্ষুদ্র ও মৌসুমি ব্যবসায়ী। তারা যে দামে চামড়া কিনেছেন, আড়ত থেকে তার চেয়ে কম দাম পেয়েছেন। ধসের কারণ হিসেবে আড়তদার ও ট্যানারি মালিকরা একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন।

এদিকে, চামড়া সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে ট্যানারি মালিকদের দ্রুত চামড়া কেনার পরামর্শ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে, ট্যানারি মালিকরা জরুরি ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (আজ) থেকে চামড়া কিনবেন। সাধারণত কোরবানির দু’সপ্তাহ পরে সারাদেশ থেকে চামড়া সংগ্রহ শুরু করেন ট্যানারি মালিকরা।

ঈদের আগে ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করে সবার মতামতের ভিত্তিতে দর ঘোষণা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। মাঠপর্যায়ে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ঢাকায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা নির্ধারিত হয়। প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়া ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির ১৩ থেকে ১৫ টাকা। এই দরে ৩০ থেকে ৩৫ বর্গফুটের বড় গরুর চামড়া এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৭৫০ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। ঈদের দিন সকালে ঢাকায় এ ধরনের চামড়া ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। বিকেলে তা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় নেমে আসে। এতে প্রতি বর্গফুটের দাম পড়েছে আট টাকা ৩৩ পয়সা থেকে আট টাকা ৫৭ পয়সা। ১৫ থেকে ২৫ বর্গফুটের ছোট ও মাঝারি চামড়ার যৌক্তিক মূল্য ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা হলেও তা ৫০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এই চামড়ার প্রতি বর্গফুট তিন টাকা ৩৩ পয়সা থেকে চার টাকা দাম পড়েছে। ছাগলের চামড়া বেশির ভাগ স্থানে বিক্রি হয়নি, যা হয়েছে তা একেবারেই নামমাত্র মূল্যে। নির্ধারিত দরের হিসাবে ছাগলের চামড়া গড়ে ১০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও তা ৫ থেকে ১০ টাকার মধ্যেই বেচাকেনা হয়েছে।

রাজধানীতে চামড়ার কিছুটা দর পাওয়া গেলেও ঢাকার বাইরের পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। নির্ধারিত দর বলে কিছু ছিল না। আড়তদাররা প্রতিটি গরুর চামড়া ৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে কেনার নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এ কারণে তারা সারাদেশেই অনেক কম দামে চামড়া কিনেছেন। আগের বছরগুলোতে নাটোরে ঢাকার প্রায় কাছাকাছি দামে কিনেছেন ট্যানারি মালিকরা। এবার নাটোরে প্রতিটি গরুর চামড়া মাত্র ১৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সিলেট, চট্টগ্রাম, ঈশ্বরদী, মাগুরা, নরসিংদী, পটুয়াখালীসহ দেশের অন্যান্য জেলায় আরও কমে মাত্র ৫০ থেকে ৪০০ টাকায় কেনাবেচা হয়েছে।

ট্যারিফ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্ববাজারে প্রতি বর্গফুট গরুর কাঁচা চামড়া ৪৫ থেকে ৭৫ টাকা ও ছাগলের কাঁচা চামড়া ২০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিশ্ববাজারের এ দর বিবেচনায় নিয়ে ক্ষতি পোষানোর জন্য গত মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে চামড়াশিল্পের ক্ষতি হতে পারে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে ট্যানারি মালিকরা এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন।

গতকাল বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, চামড়ার দাম কমে যাওয়ার পেছনে ব্যবসায়ীদের কারসাজি রয়েছে। চামড়া নিয়ে যখনই ভালো উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখনই তার বিরুদ্ধাচরণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ঈদের আগে ট্যানারি মালিক ও সংশ্নিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। দুঃখজনক হলো, তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। এ কারণেই সরকার কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম দেখে সরকার পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান মন্ত্রী। গতকাল অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল পরিকল্পনা কমিশনে সাংবাদিকদের বলেন, চামড়া কেনাবেচা নিয়ে সিন্ডিকেট হলে সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

বাজার-সংশ্নিষ্টদের মতে, ঈদুল আজহায় এক কোটির বেশি পশুর চামড়ায় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়। এবার পশুর চামড়া ফেলে দেওয়া ও নষ্ট হওয়ায় আড়াইশ’ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। নষ্ট হয়ে যাওয়া ও কম দামের কারণে ৫০০ কোটি টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন দরিদ্র মানুষ।

গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, অব্যবস্থাপনার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পুরো চামড়া খাতে পড়বে। রফতানির দ্বিতীয় এই খাত ভাবমূর্তি হারাবে। দেশের সম্পদ নষ্ট হওয়ায় বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হবে। দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এবং কম আয়ের মানুষ বঞ্চিত হয়েছে। তাদের আয়ে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। মৌসুমি ব্যবসায়ীদের উপযুক্ত দাম না দেওয়ায় তাদের ক্ষতি হবে। এখন আড়তগুলোর উপযুক্ত দামে বিক্রি করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তিনি বলেন, এ সমস্যা সমাধান কোরবানির পশুর চামড়াকে সহজলভ্য পণ্য কিংবা কম আয়ের মানুষের সহযোগিতা বিবেচনা না করে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে দেখতে হবে। এর মূল্য অর্থনৈতিক বিবেচনায় হওয়া উচিত।

ক্ষোভ, হতাশা ও প্রতিবাদ :পানির চেয়ে কম দামের কারণে অনেকে বিক্রি না করে চামড়া ফেলে দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ গাছে টাঙিয়ে, পানিতে ভাসিয়ে ও পুঁতে ফেলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। চামড়া বিক্রি করতে না পারায় পুরান ঢাকার লালবাগের পোস্তার আড়তে ফেলে দিয়ে গেছেন মৌসুমি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিনিধিরা। এসব চামড়া ঈদের দিন সন্ধ্যায় ফেলে দিয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা। লালবাগের আড়তের কর্মচারী মো. মিলন মিয়া জানান, দাম না পেয়ে তিন দিন ধরে রাস্তার ওপরে চামড়া ফেলে রেখে গেছেন অনেকেই। এ চামড়া নষ্ট হয়ে স্তূপ হয়েছিল। সিটি করপোরেশন নিয়মিত তা পরিস্কার করছে। গতকাল দুপুরেও নষ্ট চামড়ার স্তূপ দেখা যায় লালবাগের পোস্তায় ও এর আশপাশের এলাকার ডাস্টবিনগুলোতে। গড়ে প্রতিটি ২০০ টাকা দরে কিনে এনে ১০টি গরুর চামড়া নিয়ে গতকাল আড়তে এসেছিলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. রিপন। তিনি সমকালকে বলেন, চামড়ার কেনা দাম দূরের কথা, রিকশাভাড়ার টাকাও দিতে রাজি হননি আড়তদার। এ কারণে রাগে ও ক্ষোভে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যান। তার মতো অনেকেই ফেলে রেখে গেছেন। শুধু ঢাকায় নয়, দাম না পেয়ে সিলেটের ওসমানীগরে নদী ও বিলে চামড়া ভাসিয়ে দিয়েছেন কেউ কেউ। সুনামগঞ্জ, ঈশ্বরদী, পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাটির নিচে শত শত চামড়া পুঁতে ফেলার তথ্য জানিয়েছেন প্রতিনিধিরা।

বিপর্যয়ের নেপথ্যে :সংশ্নিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা যায়, চামড়া কিনবেন না বলে ঈদের আগেই ইঙ্গিত দেন অনেক ট্যানারি মালিক ও আড়তদার। আবার অনেকে নির্ধারিত দর থাকলেও চামড়া কেনার জন্য মাঠ পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের অনেক কম দামে কিনতে বলেন। এর ফলে সবার মধ্যে লোকসানের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া এবার ট্যানারি মালিকরা অর্থ সংকটের কথা বলে অনেক আড়তদারের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করেননি। এ পরিস্থিতি তৈরি করে কম দামে চামড়া কিনে অতি মুনাফার সুযোগ নিতে চেয়েছিলেন ট্যানারি মালিকরা। কয়েক বছর ধরে ক্ষুদ্র ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনে লোকসান দিয়ে এবার অনেকে মাঠে নামেননি। রফতানিতে মন্দা থাকায় ট্যানারিতে ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ গত বছরের চামড়া মজুদ থাকায় মালিকদের মধ্যে অনেকে এবার চামড়া কেনেননি। এসব কারণে বাজারে কোনো প্রতিযোগিতা তৈরি হয়নি। তাই যেমন খুশি তেমন দামে কেনাবেচা হয়েছে চামড়া।

ট্যানারি মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহিন আহমেদ সমকালকে বলেন, লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করে ধীরেসুস্থে হাটে বিক্রি করলে ট্যানারি মালিকরা যৌক্তিক দাম দিয়েই কিনবেন। ২০ আগস্ট থেকে চামড়া কেনা শুরু করবেন ট্যানারি মালিকরা। তিনি বলেন, বকেয়া টাকার দোহাই দিয়ে ঈদের চামড়ার বাজারের এ অবস্থা করেছেন আড়তদার ব্যবসায়ীরা। তারা দাম কমিয়ে আড়তে প্রচুর চামড়া মজুদ করেছেন। অনেক ট্যানারি উৎপাদনে আসতে পারেনি। এ কারণে বাজারে প্রতিযোগিতা করে ট্যানারি মালিকরা প্রথমেই চামড়া কেনেননি। ফলে আড়তদাররা বাজারে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন। তিনি বলেন, ট্যানারি মালিকরা বিনিয়োগ করে পুঁজির সংকটে রয়েছেন। এর মধ্যে ব্যাংকের পর্যাপ্ত ঋণ মেলেনি। চামড়ার শিল্পনগরীতে সিইটিপি চালু না হওয়ায় দূষণের দায়ে রফতানি বহু দেশে বন্ধ হয়ে গেছে। ট্যানারি স্থানান্তরের পরে চীনের বাজারে রফতানিতে ভালো করলেও এবার যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্যযুদ্ধের বিরূপ প্রভাব পড়েছে। নতুন করে বাজার সৃষ্টি হয়নি। এর ফলে অর্থ সংকটের কারণে এবার ট্যানারি মালিকরা চামড়া কেনায় পিছিয়ে পড়েছেন। এ সুযোগে প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ঠকিয়েছেন আড়তদাররা। চামড়া নিয়ে তারা কারসাজি করেছেন। তিনি আরও বলেন, সরকার মনিটরিং জোরদার করতে পারত, কিন্তু তা করা হয়নি।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন সমকালকে বলেন, ট্যানারি মালিকরা বকেয়া পরিশোধ না করায় অর্থ সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এবার চামড়ার এই দুরবস্থার জন্য ট্যানারি মালিকরা দায়ী। তারা অতি লাভের আশায় এটি ঘটিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ট্যানারি মালিকদের কাছে সাড়ে তিনশ’ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এবার সব ট্যানারি মিলে ৪৫ থেকে ৫০ কোটি টাকা দিয়েছে। গত বছর এই সময়ে ২০০ কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ করেছে। এবার টাকার সংকটে প্রতিযোগিতা কমে যাওয়ায় দাম কমেছে। গত বছরে ট্যানারিগুলো আগের দিন রাতে পোস্তার আড়তে ঘুরে কেনার বিষয়ে আলোচনা করে গিয়েছিল। এবার কোনো ট্যানারি মালিক না আসায় ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বর্ণমালা টিভি'কে জানাতে ই-মেইল করুন- bornomalatv@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

বর্ণমালা টিভি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

1

2

3

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। বর্ণমালা টিভি | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: রাইতুল ইসলাম